জয়ন্নব বাদশা
রংপুর গীতিকা - বদিউজ্জামান
জয়ন্নব বাদশা
কাহিনী শুরু
এ্যাকদিন জয়নুব বাশ্শা দরবারোত বসি দেওয়ান উজীর নাজীর
সগ্গৈকে ডেকেয়া কবার নাগিলঃ হে দেওয়ান কতোদিন হাতে মুই
খালি পাটোতে বসি আচোঁ। একদিনও তো মুই শিকার কইরবার যাওঁ
নাই, তে এ্যালা এই বয়োসোত্ মুই শিকার কইরবার যাইম্, তোমরা
সগ্গই মিলি এই দন্ডাতে হাতি-ঘোড়া নয়-নসকের সউগে সাজোন
করো।
এই কতা শুনিয়া দেওয়ান
বেলোম না করিলে।
নগোরে নগোরে ঢোলাই
করিবার নাগিলো।
( আরে ওহে )
ঢোলাই শুনি নগোেরবাসী
দেওয়ানোকে বলে
কিসের জন্মে ঢোলাই দ্যান দেওয়ান
শহরে বন্দোরে।
( আরে ওহে )
শোন শোন নগোর বাসী
জবান বা শোনোঁ মোরে
কাইল বিয়ানা জয়নুব বাশ্শা যাইবে
শীকার কইরবারে।
( আরে ওহে )
ওরে সাজোন করিয়া থাইকপেন তোমরা
বেলোম না করিবে
ঘন্টু-ত বাড়ী
হাজীর ভালা হইবে।
(আরে ওহে )
এই কতা শুনি নগোরের নোকজন
সাইজবার যে নাগিলো
ঢুলিমালি খ্যাতোর জাল্লাদ
একজনো বাকী না থাকিলে।
(আরে ওহে )
বামোন জাতি সাজে থ্যাকো
হাতে পানজি পুতি
মলবী মুন্সী সাইজবার নাগিল
মাতাত্ নম্বা টুপি।
(আরে ওহে )
ফুলের মালা নিয়া মালি
সাজিয়ায় তৈয়ার হইলো
ঢুলি ব্যাটার ঢোল খিচি
ঘাড়োত্ তুলিয়ায় নিলো।
(আরে ওহে )
এই ধ্যান করি যৎপা নোক
সাজিয়ায় তৈয়ার হইলো
ওরে হিসেবোতে ছত্রিশ হাজার
গনিয়ায় থ্যাকিলো।
(আরে ওহে )
ওরে তার পাচোতে জয়নুব বাশ্শা
সাজিয়া তৈয়ার হইলো
হাতির পিঠিত সোয়ার হয়া
যাবার যে নাগিলো।
( আরে ওহে )
হ্যানকালে দেওয়ানে ডাকি
বাশ্শার আগোত্ কয়।
কোন বা দিকি যাইবেন বাশ্শা
খুলিয়া কন আমায়।
( আরে ওহে )
যেটেই নাই মাইনূষের আও
পশু পংকির বোল
ছয় মাস জুড়ি আচে যেটেই
ক্যাবোল বেরবোন জংগোল।
( আরে ওহে )
দিশা :
কিছুই জানিনারে ভাই
শ্যাষে কি হবে?
দিনে আইতে জয়নু বাশ্শা
অই যায় বা ধেরে ধেরে
কতো দিন বাদে গ্যালো বাশ্শা
বেরুবান জংগোলে।
ওরে ওপোনীত হইলো বাশ্শা
আইত বা নিশি যোগে
পানিরে। টিয়াসে বাশ্শা
না পায় তাই থাকিতে।
কাইন্নেতে কাইন্নেতে কয় কতা তাঁই
দেওয়ানেরো আগে
এই না গাছোত উটিয়া দেওয়ানরে
কান বা আরে দিয়া শোন।
কোনদিকি শোনা যায় নাকি দেওয়ানরে
পশু বা পংকির বোল
ওরে গাছোত চড়িয়া শোনে দেওয়ানরে
দক্ষিণো তরোপে।
দেপোর আইতে কুরুক পাখী এ্যাক
কুরুক কুরুক ডাকে।
কথাঃ-
বাশ্শা নামদরে দক্ষিণ দিকি গেইচেন। সিতি কান
আড়ে থাকি এ্যাকটা কুরুক পাকির আওয়াজ শুনবের
পাইচি তাতে মোনে হয় নেশ্চয় অতি নদী আছে।
দেওয়ান তেইলে হাটো যায়া দ্যাকি সেতি নদী আছে না
নাই!
আজার হুকুম পায়া দেওয়ান তকোন
বেলোম নাই যে করে
ড্যারা তাম্বু ভাংগি দেওয়ান যায়
দক্ষিনেঁ মুল্লুকে।
( মরি হায় হায়, হায় ওহে )
অনেক দূর যায় দেওয়ানরে
নজোর করিয়া দ্যাকে
সামনোতে পোরকানডো নদী এ্যাক
পাইলো তার নজোরে।
( মরি হায় হায়, হায় ওহে )
পানি দ্যাকিয়া জয়নুব বাশা
সৈন্যোক স্বাকিয়া পাচে
দেইকতে দেইকতে গ্যালো বাশা রে
অই নদীরো যে কাছে।
( মরি হায় হায়, হায় ওহে )
যকোন কালে জয়নুব বাশা রে
গ্যালো নদীর পাড়ে
নদীত আচিন দুরজন দানোব
তাঁই পাইলো দ্যাঁকিবারে।
( মরি হায় হায়, হায় ওহে )
ওরে ডাইনে বামে এ্যাক হাজার হাত
চউখ সুজ্জের মোত,
ওরে বিকট মুত্তি ধরিয়া দানোব
আইসে আজার আগোত।
( মরি হায় হায়, হায় ওহে )
ওরে কাঁই তুই, কন্ইৈ বাড়ী রে
কিনাম বেন হয় তোর
ওরে আইজা ধরি খামো তোমাক
না ছাড়িমো তোরে।
( মরি হায় হায়, হায় ওহে )
এই কতা শুনি জয়নুব বাশা
কান্দে দ্যাকে। জারে জারে
না খাইস না খাইস দানোদরে
না মারিস তুই মোরে।
(মরি হায় হায়, হায় ওহে)
ওরে ব্যাটা এ্যাক আচে মোর ঘরে
জয়কুদ্দি নাম হইলো তারে
সেই ব্যাটা দিনু তোক
খাইস বা ওন্দোর ভরে।
(মরি হায় হায়, হায় ওহে)
ওরে জয়নুব বাশ্শা মোর নাম
না মারিস তুই মোকে
এই কতা শুনিয়া দানোবরে
কয় বা ধরে ধরে।
(মরি হায় হায়, হায় ওহে)
ওরে কাগজে ল্যাক্সিয়া দেও ব্যাটাক তোর
অই পটোর দিবে পরে
মিত্যা ২ দিকেল হয় কতা বাশ্শা
ভে হইলে ঠাইক্পে পরকালে।
(মরি হায় হায়, হায় ওহে)
কাগোজে ল্যাক্সিয়া বাশ্শারে
ব্যাটা বা জয়কুদ্দি
তিসিন সেন যাবার পাইলে তঁাই
সৈন্যগণের মদ্দি।
(মরি হায় হায়, হায় ওহে)
সৈন্যসেনা নিয়া জয়নুব বাশ_শা
যায় বা শ্বাশের পরে
ওরে একাদিন দরবারোত বসি তাঁই
কয় বা দেওয়ানের তরে।
( মরি হায় হায়, হায় ওহে )
কিব। করেঁ। ঞাকিয়। দিচো ব্যাটাক রে
দানোবেরে। হাতে
ওরে না দেওঁ যদিকেল ব্যাটাক তাকেঁরে
ক্ষতি বা হইবে তাতে।
( মরি হায় হায়, হায় ওহে )
হ্যানকালে জিব্রিলে য়্যাকো
কয় বা দইবো বাণী
জংগোলোত্ কি কল্লু বাশ্শা
তামানে তাক জানি।
( মরি হায় হায়, হায় ওহে )
সাত আকাত নামাজ কাজা কইরচেন
বেরবোন জংগোলে
তার বদলে সাতকো বচ্চোর
দোজোগোতে জইলবে।
(মরি হায় হায়, হায় ওহে )
আর যদিকেল জয়কু্ন্দ্দিকে
কোরমানী কইরবার পাইস আল্লার আহে
এ্যাঙ্কেবারে সউগ গুণা তোর
সাপ বা হয়া যাইবে।
( মরি হায় হায়, হায় ওহে )
দিশা :
কপালে এই নেইকাচে দারুণ বিধি কপালে।
এ্যাকন। ব্যাটা ছাড়া আল্লার মোর
ন। আছে সংসারে।
এ্যাকন। ব্যাটাক ক্যামোন করি দেইম মুই
দুই জেনারে। হাতে
আগেতো স্যাকির। দিচোঁ ব্যাটাক মুই
দানোবেরো হাতে।।
ক্যামোন করি কোরমানী করিম মুই
বাপ হয়া ব্যাটাকে
যকোন কালে এই কতারে
দেওয়ানোকে বুলে।।
বাইর হাতে কানচোন মালা তাক
পাইলে। শুনিবারে
ওরে সোয়ামীর মরোন শুনিয়া মালারে
পাইলে। তাঁই জমিনে।।
যুব্বা বয়সে কাচা ফুলের আড়ি
কইরে মোক শ্বশুরে
কাইল বিয়ানা কোরমানী কইরবে
সোয়ামীক বাচামেঁ। ক্যামোনে।।
কাইনতে কাইনতে যায় মাল। রে
আপোন বা মহোলে
ওরে খানিকবাদে জয়কুদ্দিরে
আইলে। তাঁই মহোলে।।
স্যাকে কইন্যা কাইদব্যার নাইগচে
ওই পালোংগের ওপুরে
হাত ধরি বোগোলে বসিবে
জয়কুদ্দি কইন্যার আগে বোলে।।
কিসোক তুই কাঁদিস কইন্যা
পড়িয়া মাটিতে
কইন্যায় কয় পানের সোয়ামী
আর কি দেইকপেন মোরে।।
কাই বিয়ানা তোমার বাপে তোমাক
কুরমানী করিবে
নিজকানে শুনিয়া কতা মোর
মোর বুক বা ফাটিয়া গেইচে।।
চেংড়ি বয়সে বিদুয়া হনু মুই
এ দুক্ক কি যাইবে
এই কতা শুনিয়া জয়কুদ্দি
কইন্যার আগোৎ বলে।।
কাদোন শুনিয়া ওঠো কইন্যা
কি বুদ্ধি করোঁ তারে
ওরে য্যামোন করিয়া পারো কইন্যা
বাচোয়া দ্যাও মোরে।।
এই কতা শুনিয়া কান্চোন মালা
কয় বা সোয়ামীর আগে
ওরে টাকা পইসা যতো আচে
ওরে দ্যাও বা গাটরি ভরে।।
ওরে দুই ঘোড়াত চড়িয়া দুইজোনে
যায় মূলুক ছাড়িয়া
ওরে তারপাচে দ্যাকে। জয়কুদ্দি
বেলোম নাই যে করে ॥
ওরে দুই বা ঘোড়া জেনবল্লি করে
পইবা ঘরার পরে
ওরে দুই ঘোড়াত চড়িয়া দুইজোন
যায় বা মহা ব্যাগে ॥
দ্যাকিতে দ্যাকিতে গ্যালো দুইজোন
বেবোন জংগোলে
ওরে দশো মাসের হামেল আচিল কইন্যারে
বিষে শরীল জ্বলে ॥
ওরে বিষের জালায় কইন্যা ক্যাম্বোল
গড়াগড়ি করে
ওরে জংগোলের আউটালােৎ বসেয়া
কানদে হাউ হাউ কইরে ॥
পানি পানি বুলি কানচোেন মালা
নাইগ্ চে কানদিবারে
বিয়ানা উঠি সাবার নাগিল জয়কুদ্দি
পানিরো তাল্লাসে ॥
নদীর পাড়োত যায়া দ্যাকোরে
ছাপড়িয়া পানি তোলে
লাপ দিয়া অইনা দানোব দ্যাকো
জয়কুদ্দিকে বলে ॥
কিবা নাম কার ব্যাটা তুই
কও মোক খুলি খালে
দানোবোক ড্যাকি জয়কুদ্দি তকোল
ভাবে মোনে মোনে ৷৷
ওরে হাতজোড় করি কয় বা কত।
দানোবেরো আগে
জয়নুব বাশ্শ। বাপ হয় হামার
জয়কুদ্দি নাম মরে ৷৷
এই কতা শুনিয়’ দানোব
হাসি হাসি বলে
ভালো হইলে’ এতো দিনে
খোরাক হামার আইলে’ ৷৷
ম্যালিয়া ড্যাকো কাগজেখানি
কীই বা ড্যাকিয়া দিছে
ওরে অ্যাকন’ বাদে যাওন’ নাইগবে তোক
জমেরো পুরীতে ৷৷
ওরে জয়কুদ্দি ড্যাকিয়া হায়রে
কান্দে জারে জারে
যার ভয়েতে আনু পলেয়া
তাঁইতো হোকন’ ছাড়ে ৷৷
শানেক ব্যাটায় দানোব দুরজন
জুলুম না করিবে
হাতগুল। ম্যালে ‘দও তোমার
যামেঁ’ প্যাটেরো ভেতরে ॥
এই কতা শুনিয়া দানোব
হাত বা ম্যালেয়ায় দিলো।
এ্যাক চোটোতে এ্যাক হাজার হাত
কাটিয়ায় ফ্যালাইলো॥
শুড়া মুড়া হইলো দানোব
তাগোদ নাই তাই গায়
এ্যামোন করিয়া কাররেয়া উঠিল
সে আওয়াজ কইলে শোতে যায়॥
কইলে শোতে দ্বাকো ভাইরে
দানোবেরো পালা
নাকে নাকে আইলো দইতো
হাতোত্ দাও কুড়াল নিয়া॥
আসিয়া হাজুর হইলো
বেরবোন জংগোলে
জয়কুদ্দিকে নিলে সগলে
পিছিরে ওপোরে॥
জয়কুদ্দিকে নিয়। গ্যালো সগলে
কইলেশো নগোরে
কানচোন মালার কতা এ্যালো
শুনি দ্যাও সকলে॥
ওরে বিষের জালাতে কইন্য। দ্বাকো
গড়াগড়ি যায়
পানির তিয়াসে জেবোন দ্বাকো
বাইর বা হয়। যায়॥
নাল পরী নীল পরী পরী ছয়জোন
দ্বাকিতে মানোবের দ্যাশ অতোত্ চড়ি যান
ওরে কানদোন শুনি দ্যাকে তকোন
নীল পরী কয়॥
ওরে কিসের জন্নেবেন কাইদবার নাইগচে মানুষ
তার ক্যান বা কাদোন শোনা যায়
অতো হাতে নামি পরী
দেইকবার যে পাইলো।
ওরে সোনদোর চুরত কইন্যা
এ্যাক কান্দিতে আচিলো॥
দিশাঃ
দসী বিষোতে শরীল মোর
যায় বুজি ফাটি॥
দয়া করো দয়েল পরী গো
দয়া বা করো মোরে
এই বেপোদে দয়া করো যদিকেল গো
তে হইলে হামি বাঁচি॥
ওরে কতা শুনিয়া দুই পরীর তকোন
দয়া বা হইলো দেলে
আস্তে আস্তে ধরিয়া কইন্যাক
বসাইলো জমিনে॥
ওরে চানদের থেরান উপ ছাওয়ার
কান্দে মাও মাও করি
ওরে ছাওয়া দ্যাকি দুই পরী তকোন
খুশিতে ভরিলো॥
নিজের ব্যাটা বুলিয়া পরী
কোলাত তুলিয়া নিলো
ওরে নাড়ি কাটি গাওয়। ধোয়া
আছে’ লোত্ নিলে’ ঢাকি ॥
ওরে কইন্যার কোলোত্ দিয়া রে পরী
কয় বা ধেরে ধেরে ॥
দিশাঃ
ছাওয়। কান্দিয়। মইলো রে
কইন্যা তুলিয়া ন্যাও কোলে ॥
শোন কইন্যাক কানচোেন মাল।
ব্যাাটাক ন্যাও বঃ কোলে ॥
ওরে দুদ খিলাও সোনার যাদুক তোর
ন। কানদিস্ আর বোনে
ওরে হেটেই বসিয়া খাবার পারু তুই
বিয়ানা বইকালে ॥
ওরে দুই ব্যালা করি আসিম তুই
তে’র ব্যাাটাক দ্যাকবারে
কানচোন মালা কয় শোনে দিদি
মোর ব্যাটা না হয় ॥
ওরে আইজ: হাতে তোমার ব্যাটা
জানবু তুই নেশ্চয়
দুই পরী কয় শোনেক মালা গে।
নাম আকিয়ায় দেও ॥
নিজের ব্যাটা মোনে করি পরী
ছাওয়ার নাম আকিয়। দেয়
মল্লিক বাহাদুর নাম বুলিয়া রে
পরী যে খুইয়া যায় ॥
পানিতে না হইবে তল
আইগ্নে না যাইবে পোড়া
দরিয়া ঝাপ দিয়া পার হবার পাইবে
অইযে জয়কুদ্দিরো ব্যাটা।।
বাগ ভালুকে ধরিয়া না যাইবে
বর দিয়াগেনু তারে
ওরে নিমরি হয়া থাইক্পে বাচা
এই দুনিয়ার পরে।।
যতো খোয়াক জোগায় দ্যাকে। পরী
বিয়ানা সইজাতে
দেইক্তে দেইক্তে ছাওয়ার বস
বারো বচ্ছের পোরে।
এ্যাকদিন দ্যাকে। যায় বাহাদুর
দক্ষিনে। তরাপে
দ্যাকে এ্যাক দানোব বসি আচে
মুড়া মুড়া হালে।।
ওরে দানোব দ্যাকিয়া তকোন বাহাদুরে কয়
হাসিয়া হাসিয়া
ও কি শোন রে দানোব দুরজোন তোর
এ হাল বেন কইরচে কেটা?
ওরে দেওযে কয় শোনরে বাপধন
কি নাম হয় তোমার
ওরে জয়নুব বাশ্ শার বেটা এ্যাক আচে
জয়কুদ্দি নাম তার।।
ওরে হাতগুলা কাটিয়া তাই মোক
ব্যাহাল করি দিচে
ওরে এই কতা শুনি মল্লিক বাহাদুর
গোস্সাতে জলিলে৷ ৷৷
ওরে আগ হয়া দানোবের আইদ্রা দুই পাও
কাটিয়ায় ফ্যালাইলো
ওরে ঘাড় ন ধরিয়া থ্যাবগা মারিয়া
বসেয়৷ আকিলে৷ ৷৷
ওরে মোর কাছে যায়া বাহাদুর
কয় বা খৈরে খেরে’ ৷
কথাঃ
ও মাও জনেনী তুই
সওগ দিকি যাবাব পাবু
কেন্তু দক্ষিণ মুল্লুকোত্ তুই
কোনসোমে যাইস না৷
যদিকেল যাইস তে হইলে
বেপোদেোত্ পড়বু ৷৷
এই কতা শুনিয়া কানোনের
মোনোত্ ছন্দে হইলো
দক্ষিণ মুল্লকোতৎ কোন সোমে
যাইবে তাঁই সেই কতা হাস্তাইতে নাগিলো ৷৷
দিশাঃ
ক্যাবোল ডালিমের কলি
সেদুরের কটুয়ারে
ও ডালিম গাচে ৷৷
১. অকেজো
একদিনেঁ কানচোন মালা যায়
দক্ষিণেঁ মুলুকে
তপাত্ হাতে দুর্জন দানোব
পাইলো তাঁই ত্যাগিবারে ৷৷
ওরে ত্যাগি তাই কইন্যার উপ
মোনে মোনে ভাবে
ক্যামোন করি এই কইন্যাক পাইম
বিয়া করিবারে ৷৷
ধরিয়া জয়কুদ্দির উপ
কাইদবার নাগিলো
ওরে কনচোন মালা বুলিয়া দানোব
ডাক দিবার নাগিলো ৷৷
ত্যাঁকি যা তোর খুষ্ঠা ব্যাটায়
কোন বা কাম করিলো
তপাত্ হাতে সোয়ামীক ত্যাকিয়া
কইন্যা দউড় দিবার নাগিলো ৷৷
ওরে সোয়ামী সোয়ামী বুলিয়া কইন্যা
দউড়ি যায় গালা সাপটে ধরিলো
ওরে কেটা তোনার হাতপাও স্বমী
কাটিয়া ফালাইলো ৷৷
শোনেক শোনেক কানচোন মালা গো
জবান বা শোনেক মোরে
পানি বুলিয়া যেদিন আনু মুই
এই জাগারে পরে ৷৷
ওরে কতোদিন দানোবে গুতেই মোক
বন্দো করিয়ায় আকে
ওরে নচোল্লা করি যকোন পানি
নিয়া খাবার ধরিনু ॥
সেই সোমে তোর খুট্টা ব্যাটাক
নজোরে দ্বাকিনু
ওরে তোর নাম আর তার নাম
আগোতে শুনিয়া নিনু ॥
ওরে বাপ বুলিয়া যেই ব্যাটাক মুই
পরিচয় বা দিনু
ওরে না শুনিয়া এইগলা কতা
এই দশা করিলে! ॥
সেই জন্যে খাবার নাই পাওঁ কইন্যা
দ্বাকিতে তোমাকে
এ্যালা যদিকেল বার্পার চাইস মোক
ঔষদ আনিয়া দে ॥
কথা :
সোয়ামী তে হইন কি ঔষোদ আনা নাগ্eব সেই
কতা মোক কন। দ্বাকেক কইন্যা শিন্নাতপুর শঙরোত্
আচে শিন্নাত বাঘের দুদ সেই সেই দুদ ছাড়া মোর হাত
ভালা কইবার আর কোন উপায় নাই।
বাঘের দুদূ! এইতো কসম কতা নেঁষায় এই দুদ
মুই কার ঠাঁই আনি নেইম। সেই কতা কবার পাইস্ না
তোর ব্যাটাক সেই দুই আনবার জন্যে পটে দে। তাঁই
যদিকেল অইনবার পায় ভালো কতা আর যদিকেল না
আইন বার পায় তেইলে মুই আর ভালো হবার নঙ।|
ঃ মোর তো কোন ওপ নাই—মুই এ্যালা যায়া তাক কি
কইম?
ঃ শোন কইন্যা, বাড়ীত যায়া বিচনার তলোত্ শিন্না
বিচাবু তার ও পরোত গুদাড়ি খ্যাতা পাড়বু তার পাচে
তারে ও পরোত শুতি গউড় পাড়বু। গউড পাইড়তে আর
মোতোন শিন্না মুড় মুড় করি ভাংগে, তুই অকরুণ
সুরে কাদোন জুড়বু। তোর কাঁন্দোন শুনি মল্লিক বাহাদুর
দউড় পাইড়তে পাইড়তে তোর বোগোলোত২ আইপসে।
তুই কবু বাওয়া হামার তোর ফরফরি ব্যেরাম হইতে।
শিন্নাত পুর শওরের শিন্নাত বাগের দুদ ছাড়া এ ওগ
মোর ভালা হবার নয়।|
এই কতা শুনিয়া কইন্যা
ডোরাত চলিয়া গ্যালো
ওরে শিন্না বিচি কাদে কইন্যা
মাও মাও বুলিয়া॥
তপাত হাতে মল্লিক বাহাদুর
সেই কাঁন্দোন শুনিয়া
মায়ের সামনোত আসিয়া দ্বাকো
কয় বা ডাকো দিয়া॥
কও কও দুদ মাগো
কি ওগ ভালা হইলো
এই ওগের কিবা অউষোদ
তারে নাম মোক কহো॥
২. নিকটে।
ওরে ছলনা করি কানচোন মালা
ব্যাটার আগোত্ কয়
এই ব্যারামোক ফরফরি ব্যারাম
সউগ মানুষে কয়।।
দিশা :
নারী কি নারীহে
এ্যাতই ময়া পি জানো নারী হয়া।।
কতা শুনিয়া মল্লিক বাহাদুর
মাওয়ের আগোত্ বলে
এতেই শুতিয়া থাকেক জনোনী
যাওঁ মুই শিন্নাত্ পুর শওরে।।
মায়ের কাছে বিদ্যায় হয়া
বাহাদুর বেলোম নাই’লে করে
ওরে কত পা দিনে গ্যালো বাহাদুর
বেরবোন জংগোল ছাইড়ে।।
পরীর ঘরে নাম নিয়া বাহাদুর
কানদে জারে জারে
কান্দোন শুনি দুইবা পরী
অতোত ভয়ে করে।।
ওরে আসিয়া পঁিচলো দুইপরী
মল্লিকেরো আগে
কিসের দুক্কে কাইদবার নাগচিস বাপধন
মাও কিবেন’ হইলো তোরে।।
৩. কি বা।
ওরে মল্লিকে কয় শোন বা জননী
মোর মায়ের ব্যারাম হইচে
শিন্নাতপুর শঙরোত্ যাইম মুই
বাগের দুদ বুলিয়ে।।
থুইয়া আইসেক মোক শিন্নাতপুর শঙরে
না থুইয়া আইলে যাইম মুই মরি
ওরে এই কতা শুনিয়া দুই পরীরে
অতে বা তুলিয়ায নিলো।।
সাত দিনোতে শিন্নাতপুর শঙরোত্
হাজুর করিয়ায দিলো
মোেনতোর এ্যাক শিকি দিলে। পরী
মল্লিকেরো তরে।।
ওরে এই মোেনতোর শিকি বাপধন গো
বাগের মূর্ত্তি ধরে
যেইটেই পাবু বাগ অওলি বাচ্চারে
সেইতেই যাবু চলি।।
ওরে ঘটি নিয়ায় বিদ্যায় হইলো মল্লিক
পরী বা গ্যালো চলি
দিনে আইতে হাটিয়া মল্লিক র
পাহাড়োত্ গ্যালো চলি।।
দ্যাকে এ্যাকজাগাত্ শুতি আচে বাগ
দুইটা বাচ্চা অউলি
ওরে ধরিয়া বাগের মূর্ত্তি যায়
ন্যাটোর প্যাটোর করি।।
ওরে বাচ্চা দুক্ন। বসিয়া আঢে
পাইলো ছ্যাকিবারে
ওরে বাচ্চা দুকনার কাচোৎ যায়া
খ্যালা খ্যালা করে ৷৷
ওরে খুব নিল হইলো হায়রে
বাচ্চা দুকনার সাতে
ভাইয়ের নাহান ছ্যাকো বাচ্চারা
ডাকায় ভাই ভাই বুলি ৷৷
ওরে হ্যানকালে চ্যাতোন পাইলো
বাগিনী দুরাচার
জিবা বাইর করি খাবার চায় রে
বাহাদুরোক তার ৷৷
ওরে নিজের বাচ্চা রী মাতা আউগি দিয়া কয়
খাও হামাক দুটি ভাই
ওরে জন্মের মোৎ ভাই বুলিয়া
ডাকাইচোঁ তাক ৷৷
ওরে মাও ব্যাটা খাবার চালু
কোন বা শাস্ত্রোৎ কয় ৷৷
দিশা :
আয়রে ব্যাচা
আয়রে মোর কোলে ৷৷
ওরে এই কতা শুনিয়া বাগিনী
বাচ্চার আগোৎ কয়
ওরে কিসের জরেবেন আলু বাচা
মোক সে কতা লি খালে কও ৷৷
ওরে বাঘের পাউয়োত্ ছালাম করি
তাঁই কাইনতে কাইনতে কয়
মোর মায়ের ব্যারাম হইচে
সগলে ফরফরি ব্যারাম কয়।।
তোমার দুদ না হইলে
মাও বা যাইবে মইরে
দয়া করেক মাও জনোনী
দয়া বা করেক মোরে।।
এই কতা কয়৷ বা বাগিনী
বাহাদুরোক বলে
যতগুলা নাগে দ্যাও বাওয়া
মোর বা থনো চিপে।।
যদিকেল পাও তোমরায় জনোনী
ঘটি কোনা দ্যাও মোর ভরে
তেনা হইলে এ্যালায় যাইম মুই
ঘুরিয়া বাড়ীতে।।
এই কতা শুনিয়া বাগিনী
বেলোম না করিলে।
নিজ হাতে ধরিয়া থন
চিপিয়া ফ্যালাইলো।।
(আরে ওহে)
দুদোতে ভরিয়া গ্যালো
ঘটি না সঙ্কোল
ওরে বিদ্যায় দিয়া কয় ভাগিনী
না হইবে বিফোল।।
(আরে ওহে)
বাগিনীর পাউয়োত্ বাহাদূর
ছালামেঁ করিয়া
সেতেই হাতে দ্যাশের দিকি
যায় ব’ দউড়িয়া।।
(আরে ওহে)
ওরে পরীর ঘরে কতা দ্যাখে
মোনে ব’ ভুলিয়া গ্যালো
ওরে দুই পণ্ডেতে হাঁটিয়া মল্লিক
দ্যাশোতে চলিলোঁ।।
(আরে ওহে
ওরে ঝাড় জংগোল ছাড়ি’ কতো
মুল্লুকের বাশ্শাই
ওরে ছইয়োদ বংশ শার দরবারোত্ যায়া
হাজুর হইলো তাঁই
(তারে ওহে)
শোন বাশ্শ আলৈাপনী
মোত অতিত জানিয়া
এ্যাক সইনক্ক’ খবর দেও
তেনা হইলে যাওঁ মুই মরিয়া।।
(আরে ওহে)
৪. সন্ধ্যা।
ছইযোদে বাশ্শায় কয় কতা
মল্লিকেরে আগে
বাশ্শার ব্যাটা হুয়া ক্যামনে
ফেরো বোনে বোনে ৷
। আরে ওহে
তোমাকে জাক্কিবার পাই
বাশ্শারে নঙ্কোন
গরীব মাইনষের ঘরোত্ এ্যামোন ছাওয়া
না হইবে কঙ্কোন ৷
( আরে ওহে
এই কতা শুনিয়া মল্লিক
কয় বা কাদিয়া
শোন বাশ্শা মোর দুক্ষো
নেরোলে বসিয়া ৷৷
( আরে ওহে )
বাশ্শার ব্যাটা হওঁ মুই
কয় বা সর্বেবজন
গোলাম কুলেত্ এ্যামন দুক্ষি
নাই কোনোজোন ৷
আরে ওহে ’
জয়নুব নামেতে বাশ্শা
দাদাজীরে নাম
জয়কুদ্দি বাপের নাম
কান্গোন মাওয়ের নাম ।।
( আরে ওহে )
ওরে মা দুক্ষিনি বোনোবাসি
জংগোলেরো মাজে
ওরে মোরে বাপোেক খায়া ফ্যালাইচে
বিশাশও দানোবে।।
( আরে ওহে )
অ্যাকে ব্যাটা আছনু মুই
মাসেরো কোলেতে
মল্লিক বাহাদুর বুলিয়া নাম
আকিয়া দিচে মোরে।।
( আরে ওহে )
নামোতে ফরফরি ব্যারাম
মাও জনোনীর হইলো
তার দাওয়াই আনবার জন্যে
শিন্মতপুর যাওয়া খাইলো।।
( আরে ওহে )
অ্যাক বা মাসের ওপোবাসি
তোমারো দরবারে,
ফল পাকোেড় খায়া মোরে
জেবোন বাচিয়া আচে।।
( আরে ওহে )
একতা যকোনে মল্লিক
কবার যে নাগিলে।
মহোল হাতে কইয়্যা দ্যাকে।
তাক শুনিবার পাইলো।।
( আরে ওহে )
দিশা ঃ
মোন মোর গজিল রে
আরে মায়া জালে আসি
মোন মোর মজাইলো রে ॥
বাওয়া ছইয়োদ বাশ্ শার ঘরেত এ্যক কইন্যা
উপে ঝলঝল করে
ওরে বাপের আদোরের কইন্যা
মায়ের কইলজাখানি ॥
ওরে আদর করি নাম আকিলো
নীলমোতি কইন্যা বুলি
ওরে নেরোলে নীলমোতি কইন্যা রে
শুনিলো সউগ কতা ॥
শুনিয়া তাঁই মল্লিকের দুক্ক
কান্দে জারে জারে
দয়া করিয়া মেলোন করো আল্লা
পতি বা করুম তারে ॥
ওরে মল্লিক বাহাদুর আবানে পতি মোর
নাই এ জগোতে
ওরে কাইনতে কাইনতে যাদুর গড়ি
গইনবার নাগিলো ॥
ওরে বাহাদুরের সাতে জোড়া
আল্লায় স্বাকিয়া দিলো
ওরে আগুমেনি কতা নীলমোনিরে
পারে গনিবার ॥
ওরে মরোন জেবোনের কতা
পারে তাঁই কবার
মল্লিকের মাও কানচোন মালা
দেওয়ের হাতোত্ ধনদি ॥
ওরে তারে দাওয়াই আইনবার যায়া
পতি মোর জেবোনে যাইবে মরি
বিয়ার আইতোত্ হইম মুই আড়ি
সেই দুঙ্কোতে মরি ॥
ক্যান আল্লা নেকলু জোড়া
সেই কতা ভাবিয়া যাওঁ মুই মরি
বাপ ভাইয়ে এই ধিয়া মোর
অদলু * কইরবার না পারে ॥
তার পাচে গনিয়া ন্যাক্বে কইন্যা
বাচে কিনা বাচে
ওরে শিন্নাত বাগের দুদ আরো
ছেপল্ হাড়াতের পাতা ॥
ওরে আসানতের ফলবা পাইলে
সোয়ামী যায় বাচিয়া
ওরে বাপের গোড়োৎ ন্যাক্বে পত্ র্যে
বিনোয় ব’ করিয়া ॥
দিশা :
হায় মোর আল্লা হায় হায় ॥
শোনেক শোনেক দয়াল বাপজান গো
ও বাপজান জানানু ন্যাক্বিয়া
৫. লঙ্ঘণ।
ওরে যে জোনোক আইনচেন সামনের গো
শিন্নাতপুর শওর বা থাকিয়া
ওরে জয়নুব বাশ্তার নাতী বা হয় গো
অই মল্লিক বাহাদুর নাম
তাঁই ছাড়া এই জাগাতোত্ গো
সোয়ামী নাই মোর অ:র ॥
ও কি গনিয়া দ্যাকিনু বাপজান গো
অই হোস্কেয়া৬ আম্মাল
ওরে মল্লিক ছাড়া এই জগোতোত্,
ভাতার নাই মোর আর ॥
ওরে ভাইগ্যের জোরে অইল্চে জামাই
যাবার না দেও তাক আর ॥
ওরে পাত্রো মিত্রো নাজীর উজ্রোক গো
ও বাপজান সন্গইকে ডাকাইয়া
খুশিহালে আমার বিয়া গো
বাপজান দেও আইজায় পড়াইয়া ॥
না দ্যান যদিকেল বিয়া বাপজান গো
গইরোবো করিয়া
ব্যাজোড়া হইম তেহইলে মুই
দ্যাকোনা বুজিয়া ॥
কথা ঃ
দেওয়ান দ্যাকোতো চিঠিত্ কি দ্যাক লেখা আছে?
দেওয়ান ঃ তোমার বেটি গনাপড়া করি দেইকচে এই
৬. খুলিয়া।
২২-
মল্লিক বাহাদুর ছাড়া জগোতোত্ আর তার সোয়ামী
নাই। খুশিহালে ইয়ার সাতে বিয়া পড়ে চায়॥
আজাঃ আস্তার ফৈকরের সাতে বেটির বিয়া পড়ে দিতে
হামি আজি নেঁায়াই॥
এই খবোর পায়া কইন্যারে
কইন্যা ব্যাহসোতে পড়িয়া
অনেক দুঙ্কোতে করে গান এ্যাক
নানা খেরান ওপোমা৭ করিয়া॥
গানঃ
জলোত্ বা কানদে জলো হংসোরে
আল্লা অরোনোত্ কান্দে টিয়া।
ঘর সোবোতি বেটি ছাওয়া কানদে
বিছনোতে শুতিয়া॥
মায়ের কোলোত্ চিপিল ছাওয়া কানদেরে
ছাড়িয়া মুখের দুদ
বা পেঃ মায়ে বিবাদ করে রে
আল্লা হামার বুক করে ধুক ধুক॥
বোনের হরিণ কান্দে খ্যাকোরে
আল্লা ছাড়িয়া মুখের ঘাস
আইজ হাতে গ্যালো সইগে রে
আল্লা মেলোনের বিশ্বাস॥
এই দ্যান ভাবে কান্দে কইন্যা রে
নেরোলে বসিয়া
(আরে ও আহা রে)
৭. উপমা।
দিনে দিনে গ্যালো কইন্যা
কালা বরণ হইয়া ॥
( আরে ও আহা রে )
মাও জননী দ্যাখিয়া তারে রে
আপছোচ করে মোনে
( আরে ও আহা রে )
ওরে সোয়ামীর লাগিয়া বেটি বুঝি
যায় জেবোনে মরে।
( আরে ও আহা রে )
অ্যএকেদিনেঁ কয় বা। আনী
আজারো সামোনে
এ্যাজোন বেটি ছাড়া নাই বেটি মোর
এ তিনেঁ ভোবোনে ॥
( আরে ও আহা রে )
ওরে আজার ব্যাটা মল্লিক বাহাদুর
দ্যাকিতে সোন্দোর
তার সাথে বিয়া দিতে বেটিক
ক্যানে করেন ওজোড় ॥
( আরে ও আহা রে )
না যদিকেল বিয়া আজা হে
মুই বা কওঁ তোমারে
গালাত্ দড়ি নাগেয়া মরিম মুই
বেটিরে। মহোলে ॥
( আরে ও আহা রে )
এই কতা শুনিয়া আজারে
নরোম হয়া গ্যালো
ধুমধামের সাথে বেটির বিয়া
পড়িয়ায় ভালা দিলো।।
(আরে ও আহা রে)
বসোর ঘরোত যায় নীল মোতিরে
হাসে মোনে মোনে
হায়রে সোয়ামীর কতা মোনে তুলিয়া কইন্যা
বসিয়ায় কান্দে তাই বোগোলে।।
(আরে ও আহা রে)
ওরে কানদোন দ্যাকিয়া
মল্লিক না খায় বাটার পান
ওরে খুশির দিনেত ক্যানো কইন্যা
তোমার দুক্কেব কাদোন।।
(আরে ও আহা রে)
কইন্যায় কয় কিসের খুশি মোর
দুক্কোতে জেবোন গ্যালো
তোমার সাথে বিয়া বসি মোর
দুক্কোতে জেবোন গ্যালো।।
(আহা ও আহা রে)
ওরে মল্লিক কয় কও কইন্যা
তাঁই আরো ক্যামোন
ওরে কইন্যায় কয় সেকতা কইলে
হবার নয় নেবাবন।।
(আরে ও আহা রে)
ওরে হবার কতা নেঁয়ায়
কমেঁা যে তোমারে
অল্পেদিন বাদে তুমি
বুজবারে’ পারিবে ।।
( আরে ও আহা রে )
মুইনা কইম তোমাক
মেন্নে আকেন পতি
যিদিন দ্যাকো হইবে কাণ্ডো
সিদিন বুজবেন তুমি ।।
( আরে ও আহা রে )
এহি কতা কয়া বা কইন্যা
শুতিয়া নিদঁ গ্যালো
বেটা ছাওয়া বেটি ছাওয়ার ঘিগুলা কাম
বাকী না আর অইলো ।।
( আরে ও আহা রে )
তামান আইতে জাগিয়া থাকে দোনো
নির্মেলা পালোংগে
য্যামোন কলার গাচোত ঝোলে
সেদ্যান তালে তালে ।।
( আরে ও আহা )
শ্যাম আইতোতে নিদঁ আইসে
মল্লিকেরো চউখে
এই সোমে নীল মোতি কইন্যা
কোনবা কামেঁা করে ।।
( আরে ও আহা রে )
শিম্নাত বাঘের দুদ আচিল
যেইনা ঘটির মাজে
আদ্য দুদ ঢালি আকে কইন্যা
সেন্দুকের ভেতরে ॥
( আরে ও আহা রে )
পানি দিয়া ভরে আকি ঘটি
সামনোত্ আকিলো
ওরে ভোগোলোত্ শুতি নীলমোতি কইন্যা
জাগিয়ায় যে অইলো ॥
( আরে ও আহা রে )
ব্যালা উট্পার আগোত্ দ্যাকে সপ্নোন
মল্লিক বাহাদুর
মাও জনোনী মইমবার ধইরচে তার
জংগোলের ভেতরে।
( আরে ও আহা রৈ )
বিয়ানা উটি দ্যাকো বাহাদুর
বেলোম নাই যে করে
ময়মুরুব্বি সগ্গইরে কাচ হাতে
বিদ্যায় ভাল্ল হইচে ॥
( আরে ও আহা রে )
ওরে সেস্তেই হাতে যায় বা মল্লিক
পায়োতে হাটিয়া
ওরে সামনোত্ দ্যাকো পাইলো তাঁর এক
অগোম দরিয়া ॥
( আরে ও আহা রে )
পরীর বরোতে পার হইলো দরিয়া
ক্যাবোল শোনবা দিয়া মোন
এ্যাকো মাসের পতো মল্লিক
এ্যাক নওজাতে ‘যায় ৷৷
( আরে ও আহা রে )
ওরে তিনদিন হাটিয়া দ্যাকে।
মাওয়ের দ্যাকা পায় ৷৷
( আরে ও আহা রে ’
”
কথা ঃ
ও মাও জনোনী, হাত বাড়ে তোমরা শিন্নিাত বাগের
বাগের দুদ দ্যাও ।
এ্যালায় তুই বক্তায় আচিস ! কি কইস মা?
বাওয়া কি আর কইম ! মুই কওঁ মোরে কামের জন্যে ব্যাটা
বুজিকেল মারা গেইচে ।
পাচে দ্যাকো মল্লিক বাহাদুর
গাও মাতা যে ধুইয়া
খাওয়া দাওয়া করি শোতে বাচা
আরামের লাগিয়া৷ ॥
( অই আহা রে )
এই সোষোগে কানচোন মালা
দুদের ঘটি কোনা হাতে
ফাল পাইরতে যায় কইন্যা
দানোবেরো আগে ॥
( অই আহা রে )
৮. হর্তে।
কথা:
শোনেক সোয়ামী মোর ব্যাটা তো এ্যালাও মরে নাই—
তাঁই সেইদ্ব্যান আচে। কি কলু! তোর ব্যাটা এ্যালাও
সেইদ্ব্যান আচে? আচ্ছা তেহেইলে এই বারে মইর্বে।
নাগপুর শঙরোত্ আচে। শেষফল হায়াতের পাতা। সেই
পাতার উপর চল্লিশটা করি নাগ থাকে। অন্তই গেইলে
তোর ব্যাটা আর ফিরি আইস্পার নয়॥
দিশ:
ভাবের কোড়া কি কোড়া রে
কোড়ার ডাল ভাঙ্গি পড়ে
কিন্বেন করে কানচোেন মালা
ফিরিয়া চলিলোঁ॥
আসিয়া নিজের ঘরোত
কান্দোন জুড়িলোঁ
ছল করিয়া কান্দে রে কইন্যা
যায় গড়াগড়ি॥
গউড় পাড়ি গউড় পাড়ি কইন্যা
কানদিতে নাগিলোঁ
তপাত্ হাতে মল্লিক বাহাদুর
শুনিবারে পাইলোঁ॥
মায়ের কান্দোন শুনিয়া মল্লিক
ধায় বা ধেরে ধেরে
মাও জনোনীক ডাকেয়া কতা
পুচ করে বারে বারে॥
কিসোক কানদিস্ মাও জনোনী
কি হইতে তোমার
কানচোন মালা কয় কতা
কানদিয়া কানদিয়া।।
ছেবফল হায়াতের পাতা
দেওতো মোক আনিয়া
এই কতা শুনিয়া মল্লিক
কপালোত্ চড় মারিলো।।
হামাকে মাইরবে বুলি মাও
তৈয়ার ভালা হইলো
থাকে মাও জনোনী
নেরোলে বসিয়া
ছেবফল হায়াতের পাতা
দেইম তোকে আনিয়া।।
কমোর বানদিয়া মল্লিক
তকোনে বিদ্যায় হইলো
ওরে কতেদূর হাটিয়া তাঁই
পরীর মুলুকোত্ গ্যালো।।
দ্যাকিয়া পরীর। তাক
নিলো তুলিয়া কোলে
ওরে পেদঁনের কাপড়। দিয়া
মোচেয়া চউক বা কর ধেরে ধেরে।।
কান্দি কাটি আইলেন বাচা
কি হইচে তোমার
মল্লিকে কয় শোনে জনোনী
কওঁ বা দক্ষের কতা।।
ছেবফল হায়াতের পাতা বুলি
হিরাপুরোত্ যাই
এই কতা শুনিয়া পরী
ভাবে মোনে মোনে ॥
ওরে মাইরবে তোমাকে বাওয়া
জাইপার্ পাইচৌ মোনে
ওরে হিরাপুর শওরোত যায়া
হরিণ মারিয়া নিবে ॥
ওরে সেই হরিণ আনিয়া দ্যাকো
গাছের তলোত্ দিবে
ওরে হরিণ দ্যাকী এ্যাক পাতা হাতে
নামিয়া আইসবে নাগ ॥
সেই সোমে ছিড়বে পাতা
না বোলাইবে নাগ
ওরে অতোতে চড়িয়া পরী
হীরাপুরোত্ গ্যালো
সেতেই যায়া বুদ্ধি গোট্যৈা
দুই হরিণ মারিলো ॥
সেই সোমে হরিণ দুকনা
গাছের তলোত্ দিলো
আরে দুই পাতা ছাড়িয়া নাগেরা
হরিণ খাবার গ্যালো ॥
( অই আহা রে )
ওরে কায়দা পায়া দুই পাতা
নিলো যে ছিড়িয়া
নীলমোতি কইন্যার বাড়ি বুলি
যাবার নাগিলো হাটিয়া ॥
( অই আহা রে )
ওপোনীত হইলো মল্লিক
নীলমোতির বাসোরে
দ্ব্যাকিয়া নীলমোতি কইন্যা তাক
বরি নিলো আচোলৈ।
( অই আহা রে )
কতোদিন সেত্তেই থাকে মল্লিক
আমোদে আহ্লাদে
আইস্পার সোমে এ্যাক পাতা দিয়া কইন্যাক
বিদ্যায় ভালা হইচে ॥
( অই আহা রে )
দিনে আইতে হাইট্পার নাগিল মল্লিক
আরাম নাই যে করে
তপাৎ থাকি মাও জনোনীক
নাগিল ডাকাইবারে।
( অই আহা রে )
কথা :
মাও জনোনী। এই নে শেবফল হায়াতের পাতা।
তুই এ্যালায় বক্তায়৯ আচিস?
কি কলু মা!
বাওয়া কি আর কইম! মুই কওঁ মোরে কামের জন্যে
যায়া ব্যাটা বুজিকেল মারা গেইচে। সেই কতা কনু।
৯. বাঁচিয়া।
ওরে খাওয়া দাওয়া করি মল্লিক
শুতি নিদঁ গ্যালো
হায়রে পাতা কোনা নিয়া কাণচোন
দেওয়ের আগোত্ গ্যালো ৷॥
( অই আহা রে )
নেও নেও পানের সোয়ামী
হায়রাতেরো পাতা
আইনচে অই ব্যাটার হামার
নিম্রি যে হইয়া ৷৷
( আরে ও আহা রে )
দেওয়ে কয় শোনেক কইন্যা
না কানদিস তুই আর
এইবারে মইরবে ব্যাটা তোর
নিস্তার না পাইবে আর ॥
( আরে ও আহা রে )
আমানতের ফল বা আচে
আজপুর শওরে
সেইফল আন্ বার গেইলে ব্যাটা তোর
না আইস্পে আর ঘুরে ॥
( আরে ও আহা রে )
এই কতা শুনিয়া কইন্যা
বেলোম না করিলো
ছলনা করি অসের কইন্যা
কান্দোন জুড়িয়া দিলো ॥
( আরে ও আহা রে )
কান্না শুনি মল্লিক বাহাদুর
চ্যাতোন বা পাইয়া
মায়ের কাছোত আসিয়া মল্লিক
নাগিল্ পুচিবার ॥
(আরে ও আহা রে)
কিসের জন্নে কাইদবার নাগচিস মাগো
কওতো আমারে
বারে বারে কানদিস কিসোক
কি হইলো তোমারে ॥
(আরে ও আহা রে)
আমানতের ফল আচে আজপুরে
সেইফল আবানে ব্যারাম
ভালা না হইবে।
এই কতা শুনিয়া মল্লিক
কপালোত্ চড় মারিলো
দুনিয়া হাতে মোর হায়াত
উটিয়ায় বুজিকেল গ্যালো ॥
(আরে ও আহা রে)
বুজিকেল মাও গেচিল মোর
দানোবেরো কাছে
ওরে তেনা হইলে এ্যামোন ঔষোদ
মাইনষে ক্যামোনে জানে ॥
(আরে ও আহা রে)
আহা আল্লা মাবুদ মওলা
যে আচে কপালে
আজপুরোত্ জাইম মুই
সেই দাওয়াই আনিবারে ॥
(আরে ও আহা রে)
ওরে বিন্দ্যায় হয়া মল্লিক যায়
শ্বশুরেরো দ্যাশে
ওরে তপাঁত্ হাতে নীলমোতি কইন্যা
পাইলো দ্যাঁকিবারে ॥
(আরে ও আহা রে)
দিশা :
কপালোত্ এই নেকিচে দারুণ বিদি কপালোত্ ॥
ওরে আস্তাতে আসি নীলমোতি
আইসো আইসো বলে
কতো বা দিন হাতে সোয়ামী
দ্যাঁকা না দ্যাও মোরে ॥
ওরে ডাক শুনিয়া মল্লিক বাহাদুর
চউকের পানি ছাড়ে
জল্মের মোত্ বিন্দ্যায় দেও কইন্যা
যাঁও মুই জমেরো তল্লাশে ॥
ওরে আইজ হাতে দুনিয়ার খ্যালা
শ্যাষ হইতে মোরে
মাও বা জনোনী দোষপোেন হইতে মোর
দেওয়েরো কতাতে ॥
আমানতের ফল আইন্বার জন্মে যাঁও মুই
আজপুর শওরে
দোষ অপরাধ যতো আচে কইন্যা
ক্ষেমা করো মোরে ॥
আর বুজিকেল না হইবে দ্যাক
দুনিয়ার মাজারে
চউকের পানিতে বুক ভাসি যায়
কান্দে হায় হায় কইরে ॥
ওরে সোয়ামীর কান্দোন দ্যাকিয়া কইন্যারে
পড়ে সোয়ামীর পায়
অই জাগাতে না যান সোয়ামী
মাইরবে তোমার মায় ॥
ওরে বসিয়া এত্তেই খাবার পাইবে
অবোালারে ঘরে
ওরে মল্লিকে কয় শোনেক কইন্যা
মোর মোনোত নাইরে ডায় ॥
ওরে মায়ের কতাতে মোর যদিকেল
এ জেবোনো যায়
ওরে তে হইলেও মায়ের হকুম
করিম মুই আদায় ॥
হাসিমুখে বিদ্যায় দেও কইন্যা
যাইম মুই ফল আনিবারে
ওরে হাসি মুখে বিদ্যায় দিলো কইন্যা
সোয়ামীকো তারে ॥
দিশা :
হামরা যাইগো কুল বনোবাসে
জল্মের মতো হে
বিদ্যায় হয়া মল্লিক যায় রে
আজপুরো শওরে ।।
ইতি দ্যাকো নীলমোতি কইন্যা
কোন বা কামে করে
ওরে গুনিয়া দ্যাকিলো কইন্যা
সোয়ামীর হায়াত আচে ।।
বাপ মাওয়োক না কয়া কইন্যা যায়
ভাটিয়ান মুল্লুকে ,
যিদিকি ভাসিবে নাশ
কইন্যা সেই দিকি থাকে বইসে ।।
কতপা দিনে আইসে সোয়ামী মোর
এই না ঘাটের পরে
উতি দ্যাকো মল্লিক বাহাদুর
ধেরে ধেরে হাটে ।।
দেইক পার পাইলে আমানতের ফলরে
দরিয়ার ওপরে
আল্লার নাম কয়া মল্লিক তকোন
চড়িলো গাছেরো ওপরে ।।
ওরে দুই হাতোতে ধরিয়া ফলরে
দ্যাকো টানিয়ায় ভালা ছাড়ে
ফল ছিড়ুবার ধরি মল্লিক বাহাদুর
দুই ধুম হয়ায় পড়ে ।।
এ্যাকো সাতে দুই ফাক হয়। রে
ভাসিয়া যায় সাগোরে
ওরে তিন দিন তিন আইত
ভাসে সাগোরের জলে
বসি থাকি নীলমোতি কইন্যা
পাইলে। দ্যাকিবাল্পে ॥
দিশা :
কলুম নতারে
য্যামোন ভাসাইলেন অগৌম সাগোরে
অই মোতোন ভাসাইলেন গংগার জলে ॥
মরা ভাতার দ্যাকিয়া কইন্যা
হায় হায় কল্লি কান্দে
কি গোনা কইরচো মুই আল্লা
তোমারো দরবারে ॥
ওরে দিয়া মোক স্বামী
কাড়িয়া নিলু
আড়ি১০ কইরলেন মোকে
দ্যাকিতে দ্যাকিতে নাশ আইলো
মাজ দরিয়ার পরে ॥
ওরে ঝাপ দিয়া নামে কইন্যা
সোয়ামীক ধরিবারে
পানিত পড়ি পানি খায় কইন্যা
তল হয়া যায় জলে ॥
১০. বিধবা।
২৩-
তাতো দ্যাকো তাঁই সোয়ামীর ময়া
না পায় ভুলিবারে
সাগরের পানি খায়া কইন্যা
প্যাট বা ভারী হইচে ৷৷
নিজে দ্যাকো মরিয়া যায় কইন্যা
ভয় করে না তাতে
ওরে সোয়ামীক বাচবার বুলি
সতার দিয়া চলে ৷৷
কত দুক্কো পায়া সোয়ামীক
পান্জা করিয়া ধরে
ওরে টানিয়া তোলে দ্যাকো সোয়ামীক্
জংগোলের কিনারে ৷৷
ওরে আমানতের দুই ফল আচে
ড’ইনে’। হাতের পরে
ওরে ফল দ্যাক্তি কইন্যার খুশি হইলো
কাপড়ার আংগোলে বান্দে তারে ৷৷
ওরে মরা সোয়ামীক্ কোলোত্ নিয়্যা কইন্যা
কানি্দ কান্দি চলে
আপোনার মহলোত্ কইন্যা
সোয়ামী ধনোক আকে’৷
নিজ হাতে বাটে অউষোদ
ভিজিয়া চউকের জলে
জুল জুল করিয়া দ্যাকো কইন্যা
চায়া থাকে মুখের দিকে ৷৷
অউযোদ বাটিয়া কইন্যা
গাও বা ধোয়ায় তারে
ওরে গাও ধোয়া অউষোদ নাগায়
সোয়ামীক নিয়। কোলে ॥
দিশাঃ
দয়া করো হে
বার এলাহি
দয়া করো হে
ওরে কাইনতে কাইনতে নীলমোতি কইন্যা
মুনাজাত করে
ওরে বাচয়া দেও ওগো মাদবু
সোয়ামী ধনেক মোরে।।
কুন শব্দোত্ জাহান পয়দা
কইরলেন কুদরতে
ওরে বাচয়া দিতে মোর সোয়ামীক
তোমার অসাইন্দো কিবেন আছে ॥
ওরে তোমার নুরেতে কল্লেন পয়দা
মোহাম্মদ অছুল
ওরে সেই নামের বরকোতে আল্লা
বাচাও মোর সোয়ামীক ॥
ওরে বিচমিল্লা বুলিয়া কইন্যা
ঔষোদ নাগেয়া দিলো
আল্লার হুকুমে তকনে মল্লিক
উটিয়ার বসিলো ॥
হাসি হাসি কইন্যাকে কয়
ফল অইলো বেন কনটই
সোয়ামীর মুক ঢাকিয়া কইন্যায়
হাসিয়া কতা কয় ॥
ওরে মরিয়া গেইছিলেন সোয়ামী
এই জগোত্ থাকিয়া
ওরে আল্লার হুকুমে আইজ
উটিলো বাচিয়া ॥
ওরে এই কতা কয়া রে কইন্যা
কান্দে জারে জারে ॥
দিশাঃ
কইন্যা হে আরে কইন্যা
আরে না কাইদ্যো
তোমার কান্দোন হামার
কইল্জা ফাটিয়া গেইচে ॥
ওরে তোমরা হামরা হায়াতোত্ থাইকলে
কোনজন মাইরবার পারে
খুশি হালে থাকো কইন্যা
অই মহলে মনূ্দিরে ॥
মুই এ্যালো চলিয়া যাওঁ
মাও জনোনের কাচে
নীলমোতি কয় শোন সোয়ামী
সইত্য করো শুনি ॥
ওরে ফল দিয়া দেরী না কইরবেন
আইস্পেন ত্বরায় করি_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ __ _ _ _ _ __ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ ___ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ __ _ _ _ __ _ _ _ _ _ _ __ _ _ _ _ _ _ _ __ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ __ __ _ _ _ _ _ _ __ _ _ _ __ _ _ _ _ _ _ _____ _ _ _ __ ___ _ _ ___ ___ _ __ ___ __ _ _ _____ _______ ____ ______________________________ _ ______________________________________________________________________________________________________________________________________________s ___________________________ _______________________________________________________________________________ ____________ ______________________________________ { ____________________________________________________________________________________________________________________________________ ______________________________________________________________________________________________________________________ { ____________________________________________________________ [
_ _ _ ________________________________________________________________________________________________________________________________________________________________________________________________________________ ____________________________________________________________________ I
মাতাত হাত দিল্লা মল্লিক
সইতে। করিয়ায় নিলো।।
যদিকেল বেলোম করেঁ। মুই কইন্যা
তে হইলে মায়ের মাতা খামেঁ।
এই বুলিয়া চলি যায় মল্লিক
কইন্যাকে ছাড়িয়া।।
তিন দিনের মহিদোতে মল্লিক
দ্যাঙ্কা দিলো মার কাচৌত আসিয়া,
ওরে আমানতের ফল দিয়া মাক
যাবার নাগিল বিদ্যায় হইয়া।।
ওরে নীলমোতির আগোত্, আসি মল্লিক
থাকে দ্যাকে। খুশি হালে
ওরে উতি দ্যাকে। কানচোন মালার
কিবা দুক্ষো ঘটে।।
ওরে আমান্ তের ফল বা নিয়া কইন্যা
দউড়িয়া চলিল।।
দিশা :
আরে ও দেওয়ান হে
আরে বলো।।
ওরে হাইসতে যায় কইন্যা
দেওয়েরো আগোতে
ওরে তিনেঁ। দাওয়াই দ্যাকিয়া দেও
মোনে মোনে হাসে।।
ওরে এইবার মোর কাইর্ঘো সিদ্ধি
আল্লাহ বা করিচে
ওরে নিজ বা হাতে বাটিয়া দাওয়াই
কইন্যা দেওয়োর হাত পাউরোত্ দিলো ॥
হাতপাও পায়া দ্যাকো দানোব
বেলম্ না করিলো
অজ্ভুত উপ ধরিয়া দানোব
সামনোত্ খাড়া হইলো।
দ্যাকিয়া দানোবের মুত্তি কইন্যা
টলিয়াড় পড়িলো
ডাইনে বামে এ্যাক হাজার হাতো রে
চউক বা ব্যালেব মোত ॥
ঢ্যাকির নাহান দাঁতগুলা
তাঁই দেক্তে ক্যাড়া ব্যাড়া হইল
হায়রে এ্যামোন চুরুত দেখিয়া কইন্যার
জিউ বা উড়িয়া গ্যালো ॥
ওরে ডাইনে বামে দ্যাকে কইন্যা
ইতিসিতি ১১ নাই কোনোজোন
ব্যাটার নাম নিয়া কইন্যা
জুড়চে কান্দোন ॥
হ্যানকালে দ্যাখে কাউয়াড় এ্যক
শুকান ডালোত্ ডাকে
পাও হাত ধরিয়া কইন্যা
পুচ করে তাহারে ॥
১১. এদিকে সেদিকে।
দিশা:
আরে যারে কাগা তুই
ব্যাটাক বহিলে।
দেওয়ের হাতোত্ পড়িয়া রে তার
মাও মইলো।।
কান্দোন্ দ্যাঁকিয়া বোনের কাগা
উচিত্ কতা কবার নাগিলো
শোনেক শোনেক কাঞ্চোন মালা রে
মাও হয়া কোনজোনে ব্যাটাক মারিতে সাজিলে?।।
এ্যালা কি দেওয়ের পিরিত
ভালো না নাগিলো
আরো কতেকদিন থাকেক কইন্যা
অসতিরো হালে।।
দেওয়ের ক্যামোন পিরীত
জান্নায়ায় যে নিবে
মাতা হালেয়া থাকে কইন্যা
কতা না কয় কাগে।।
কান্দান দ্যাঁকি বোনের কাগা
উড়িয়ায় যে চলে
উড়িয়া যায় পড়ে কাগা
নীলমোতির মন্দিরে।।
মদুর সুরে কয় কতা
মল্লিকেরো আগে
তোমার মাও হইচে বন্দি
দুরাচার দেওয়ের হাতে।।
দিশা :
যারে কাগা তুই মাওরোেক বহিলো
ব্যাটার চায়া এল্যা দানোব ভালো ॥
গোম্বা করি কয় তকোন মল্লিক
কাউয়াটার আগে
আর না আইস পে ব্যাটা তোর
উদ্ধার করিবারে ॥
বারো বচ্চোর থাইক্ পে মাও মোর
দুরাচার দেওয়ের হাতে ॥
তিমিমিয়া১২ বুজবে মাও মোর
দুনিয়ায় কাঁইবেন ভালো
কতা শুনিয়া বোনের কাগা
তকোন বুজায় মল্লিকে রে ॥
অসতি যডিকেল হয় তোর মাও
তাকে কি মারিবে
মাও জনোনী দুঙ্কো করি তোক
পালোেন করিচে ॥
এই কতা শুনিয়া মল্লিক
কান্দিয়া উটিলো ॥
দিশা :
যারে কাগা তুই
মাওেয়াক বহিলো
উদ্ধার কইরতে বহিলো
ব্যাটা আইলো ॥
১২. তবে তো।
মায়ের খবোর পায়া মল্লিক
কাইন্দবার নাগিলো
মুই ব্যাটা থাইক্তে মাও
এ্যাতো দুক্কো পাইলো
কান্দোন্ দ্যাঁকিয়া নীলমোতি কইন্যা
কোলোত তুলিয়া নিলো ॥
আচোল দিয়া মুচিয়া ধুলা
কবার তাঁই নাগিলো
কিসের জন্মে কান্দোন্ পতি
কি দুক্কবেন হইলো ॥
মল্লিকে কয় শোনেক কইন্যা
সইয়্যো দ্যাঁহো মোরে
যুদ্ধ করি মাও জনোনীক
বাচেম্না নিতে হইবে ॥
এ কতা শুনিয়া নীলমোতি
বাপের আগোত্ গ্যালো
হাত জোড় করি বাপের আগোত্
তাঁই কবার যে নাগিলো ॥
তুমি থাইকতে মোর বা শাউরি
দেওয়ের হাতোত্ মরে
মায়ের শোকোতে তোমার জামোতা
চায় জেবোন ত্যাজিবারে ॥
এহি কতা শুনিয়া বাশ্শা
দেওয়ানোেক্ হুকুম করে
পাগল। ঘন্টাত, বাড়ি দিয়া তাঁই
সৈন্যে। জমা করে ৷৷
ষাইট হাজার সৈন্যে। নিয়া
ছৈয়োদ আজারে জামোতার আগোত্ চলে।
দিশা :
পবোন সাজিলোঁ রে
পবোন্ সাজিলোঁ।।
মহা ধুমধামে বাশশা যায়
বেরবোন জংগেলে
যিদিক দিয়া যায় সৈন্যোগোন
সিদিক্ষার পাতোর ভাংগি ধুলা উড়ায় পতে ॥
এ্যাতো সৈন্যে আছিল্ হায় রে
ছৈয়োদ বাশশার তাবে
টলমল টলমল করে জমিন
সৈন্যেরো দাপোটো ॥
ওরে ওপোনীত হইলে’ আজারে
বেরবোন জংগেলে
ওরে মল্লিকে ডাকেয়া কতা
সৈন্যোগনোক বলে ৷৷
এ্যাক হাজার গারো বন্দূক,
আগুন দ্যাহো তাতে ৷৷
দিশা :
দানোধ পলাও কি পলাও রে
লংক। ঘিরিলো হনুমানে
ওরে এ্যাক হাজার বন্দূকোত্ আগুন
নাগায় এ্যাকেবারে ।।
বন্দূকের আওয়াজে দানোব
কাপে থরে থরে ।।
ছাড়িল ছ্যাকো কাব্রান এ্যাক
দানোব দুরাচার
সেই কাব্রান পঁচিলো যায়া
কইলাশো মাজার ।।
ঝাকে ঝাকে আইসে দানোব
বেরবোন জংগোলে
দুই দলে নাগিল যুদ্ধ
ছ্যাকিতে ছ্যাকিতে ।।
বাওয়া পোরথোমে বাজিয়া গ্যালো
মুণ্ড বলাবলি
তার পরে বাজিয়া গেলো
বাহু প্যালা পেলি ।।
মল্লিকেরো সইনে তামান
তলোয়ার খুলিয়া
কলার গাছের ধেরান
ফ্যালাইলো কাটিয়া ।।
কারো কাটে নাক কান
কারো বা চুল
কাকো ছ্যাকো ফিকিয়া ছ্যায়
য্যামোন শিমলার ফুল ।।
( আরে ওহে )
কাকে দ্যাকে। ফিকিয়া দ্যায়
কারো টিপিয়া বা গাল।
কাকো বা ছিঁড়িয়া ফ্যালায়
ষ্যামোন আষাড়িয়া মূলা।।
( আরে ওহে )
বইশেক্ মাসোতে ষ্যামোন
তুপানেরো জোর
গাছপালা মুচড়িয়া ফ্যালায়
না আকে বাড়ীর খোর।।
( আরে ওহে )
অই থেরান সইনো সউগ
পাগোলেরো হালে
নাকে নাকে কাটে দেওয়ের ঘরোক
হিসাব নাই যে তার।।
( আরে ওহে )
যতো কাটে ততো বাড়ে
না পায় বুজিবারে
দ্যাকিয়া ছইয়োদ বাশ্শা
কাপে থরে থরে।।
( আরে ওহে )
কি কইরবে ছইয়োদ বাশ্শা
ভাবে মোনে মোনে
মল্লিক বাহাদুরের আগোত কথা
নাইগ্চে বলিবারে।।
( আরে ওহে )
ওরে শুনি কতা মল্লিক বাহাদুর
কাইম্ম্তে কাইম্ম্তে বলে
এ্যাতো দুক্কে দিলে মাও মোক
বেরবোন জংগোলে ৷।
( আরে ওহে )
যকোন কালে মল্লিক বাহাদুর
কাইদবার নাগিলে।
সরোগ হাতে থাকিয়। পরী
তাক জানিয়া পাইলো।।
( আরে ওহে )
বাওভরে যায় বা পরী
কাতারে কাতারে
ওপোনীত হইলো পরী
বেরবোন জংগোলে ।।
( আরে ওহে )
বাজি গেলো বিষম যুদ্ধ
মানোব আর দানোবে
দুই দলের দউড়া দউড়িতে জমিন
টলমল টলমল করে ।।
( আরে ওহে )
ওরে কারো মারে কারো কাটে
কাকো দ্যায় ফিকিয়া
মরা লাশের তলোত্ কেউ
দ্বাকো থাকে যে পলাইয়া ।।
( আরে ওহে )
নীচোত মারিবার নাগিল ছইরোদের সৈন্য
ওপরোত পীরীগোন
টিকবার না পায়া যে দানোব
পলেরা যে যান ।।
( আরে ওহে )
পলাইলো দানোবেরা যথোন
ঘুচি গ্যালো জন্জাল
দানোবোক ঘিরি ফ্যালেইল
হাজার হাতীর পাল ।।
( আরে ওহে )
হাতে পায়ে অসি দিয়া
নিলো যে বান্দিয়া
ছোরা হাতে মল্লিক বাহাদুর
ঘরোত বইসে গিয়া ।।
( আরে ওহে )
শোনেক রে দানোব দুরাচার
বচোন হামার
কনূই আছে মাও জনোনী
বাপজন হামার ।।
( আরে ওহে )
মাও বাপোক এন্তেই যদি
না দেও আনিয়া
ঘাড়োতে মারিয়া ছুরি
কাল্লা নেইম কাটিয়া ।।
( আরে ওহে )
দেওয়ে কয় শোন বাশা
বাশা নামোদার
আইজ হাতে তুমি মনিব
মুই গোলাম তোর ॥
( আরে ওহে )
জেবোন ভিক্ষা দেও যদিকেল
কনু গে আমারে
কনটই আছে তোমার বাপ মাও
আনিয়া দেমোঁ তারে ॥
( আরে ওহে )
শুনি কতা মল্লিক বাহাদুর
জান ভিক্ষা দিলো
ওরে দেওয়ের সাথে সৈন্যসেনা
কৈলাশোত চলিলো ॥
( আরে ওহে )
কৈলাশ শওরোত আছে
জয়কুদ্দি নাম
সৈই জেনোক যায়া দ্যাকো
করিলো ছালাম ॥
( আরে ওহে )
কেটা তুমি ছালাম করেন
কাঁই বা হও মোরে
কনটই হাতে কাঞ্চোন মালা
আইলো এ্যাতো দিনে ॥
( আরে ওহে )
কানচোনে কয় শোন সোয়ামী
না কন কতা আর
ওরে সামনোতে খাড়া আচে
ব্যাটা হয় তোমার ॥
( আরে ওহে )
গর্ভবতি আকিয়া মোরে
গেইলেন পানি আনিবারৈ
এই ব্যাটার নাম আকচি
মল্লিক বাহাদুর বইলে ॥
( আরে ওহে )
যতো দুক্কো পাইচোঁ মুই
না বলিবে কারে
তিনজোনে বসিয়াঁ কতা
কমেঁ। বা নেরোলে ॥
( আরে ওহে )
কি কাম করে মল্লিক বাহাদুর
বাপের হাত ধরিয়া
যাইট মোনি নোয়ার জিন্জির
ফ্যালাইলো ছিড়িয়া ॥
( আরে ওহে )
বেয়াল্লিশ মোন নোয়ার খাড়ুয়া
দুরোত্ ফ্যালেয়া দিলোঁ
নব্বোই মোন কপাটখ্যানি
মুকটিয়ায় ভাংগিলো ।।
( আরে ওহে )
ওরে বাপোেক নিয়া মল্লিক
বাইর হুয়া আইলো
তারে নিয়া তাঁই আল্লার নাম
হাটিয়ায় চলিলো ।।
( আরে ওহে )
কৈলাশ নগোরেত্ যতো
দেওয়েরা আছিলো
দ্ব্যাকিয়া মল্লিকোক সগলে
কাইপ্ বার নাগিলো ।।
( আরে ওহে )
এ্যামোন দোষ্পোন মানুষ
ঘোরে সাতে সাতে
জেবোনের ভয়ে পলেয়া আনু
কইলেশো নগোরে ।।
( আরে ওহে )
হেটেই না যাইবে দ্যাফা
দেকিনু ভাবিয়া
এইবার ষদিকেল ধরে মাতা
নিবে যে কাটিয়া ।।
( আরে ওহে )
দিনে আইতে যায় বা মল্লিক
মাও বাপোেক নিয়া
২৪-
ছইয়োদ বাশশার মুলুক বুলি
যাবার নাগিল হাটিয়া।।
( আরে ওহে )
দিশা :
ময়না উড়িয়া যায়রে ভাই
যায় ময়না শ্বশুর বাওয়ার দ্যাশে।।
দিনে আইতে যায় বা মল্লিক
আরাম নাইযে করে
ভোক নাইগলে গাছের ফলরে
খায় বা ছিড়ে ছিড়ে।।
এই দ্যান ভাবে কতো দিন রে
হাটিবার নাগিলো
সামনে দ্যাকো শ্বশুরের দ্যাশ
নজোরোত পতিলো।।
ওরে ওগাত হাতে তাম্বু খাড়া
নজোরে দ্যাকিয়া
মাও বাপোেক কয় মল্লিক
আদোবে আকিয়া।।
থাকে। থাকে৷ মাও বাপগো
জংগোলোত্ বসিয়া’
খবোর দিয়া আইসো যায়।
শ্বশুরের কাচোত্ যাইয়া।।
ওপোনীত হইলো মল্লিক
শ্বশুরেরে। ঘরে
ধ্যাকিয়া নীলমোতি কইন্যা
নাইগ্চে ভাবিবারে ৷৷
শোনেক শোনেক পাণের সোয়ামী
জবান বা শোনেক মোরে
মহিলা কাপোড় পাগলার ব্যাশে
আইলে কনটই হাতে ৷৷
( রে মোন হায় হায়, হায় ওহে )
শোনেক কইন্যা নীলমোতি হায় রে
মুই বোলেঁ। তোমারে
ওরে বাণ মাও আগে খাড়া হয়া মোর
বেরবোন জংগোলে ৷৷
( রে মোন হায় হায়, হায় ওহে )
শোয়ারী করি তামাক আগে
নিযা আইসো মহোলে
ওরে এই কতা যকোনে কইন্যা
পাইচে শুনিবারে
ওরে তপাত যাহা কয় কতা
দায়ার বাপের অংগে ৷৷
( রে মোন হায় হায়, হায় ওহে )
শোন শোন শোন বাপধন
মুই বোলেঁ তোমারে
আইলচে যাকে বিরাই বিরাইন
তোমার মুক্ত থ্যাক্রিবারে ৷৷
( রে মোন হায় হায় হায় ওহে )
হাতি ঘোড়া নয় নম্বর
সাজালো করিয়া
আনেঁ যাযা শউড়ি মাওয়োক মোেক
হাতিতে তুলিয়া ৷।
( রে মোন হায় হায়, হায় ওহে )
এই কতা যকনে বাশ্শা
পাইলোঁ শুনিবারে
ধুমধামের সাতে বিয়াই বিয়াইনেঁাক
আনিলো মহোলে ৷।
( রে মোন হায় হায়, হায় ওহে )
দ্যাকিয়া বিয়াইনের মুক
হায় হায় করিয়া ওটে
ওরে কতো দিনেঁ থাকে মল্লিক
শশুর শউড়ির ঘরে ৷।
( রে মোন হায় হায়, হায় ওহে )
ভালো না নাংগ কতা
মোনে মোনে ভাবে
এ্যাকদিন দ্যাকে সপ্পোন তাঁই
শুতিয়া বিছনাতে ৷।
( রে মোন হায় হায়, হায় ওহে )
ওরে বড়ো বাপ বড়ো মাও কাইদবার নাইগচে
ব্যাটা ব্যাটা বুলি
পানজা করি ধরিয়া তামাক
কোলোত্ নিলো তুলি ৷।
( রে মোন হায় হায়, হায় ওহে )
বিয়ানা উঠিয়া মল্লিক
শশুরাক্ যাযা কয়
বিদ্যায় দাহো শ্বশুর বাওয়া
মুল্লোকৌত্ যায়া খায়।।
( রে মোন হায় হায়, হায় ওহে )
এই কতা শুনিয়া ছইয়োদ
বেলোম নাই যে করে
দেওয়ানোকে ডাকেয়া কতা
নাইগ্চে বলিবারে।।
( রে মোন হায় হায়, হায় ওহে )
দিশা :
কইন্যা ছাড়িয়া যায় রে
মায়ের কোল করি খালি।।
হায়রে বেন্টিজামাইক বিদ্যায় বাশ্শা
দুই চৌকোত্ বয়রে পানি
ওরে দানে দিলে কতোরে জিনিষ
কতো দাসী নিলে সাতে।
মাটির খোরা মাটির খালি রে
চিলমারীর কড়েয়া
ওরে হাত ধুব্বার জন্যে দিলো কইন্নাক
ভাংগা এ্যাকটা নোটা।।
ওরে বাটা দিলো টিনের কাটা
আরো দিলো হাড়ি।।
ওরে তিনমাস হাংতে সেইনা হাড়ি
আচিল ছাতলা পড়ি
গেলাস দিলে থরে থরে
হাড়া দিলো তারপরে।।
সেইনা হাড়ার মদোত ভাইরে
মুরগি ডিম পাড়ে
এইস্থান করি যতোন বাসোন
এ্যাকনাও বাকী না আহিলো৷৷
ওরে দুইজোন দাসী সাতে দিয়া
জামাইক্ বিদ্যায় করিয়া দিলো।
বিদ্যায় নিয়া মল্লিক বাহাদুর
যায় বা ধেরে ধেরে ৷৷
মাও জনোনী বাপ আর বউ
যার বা সাতে সাতে ৷৷
দিশা :
হামরা আইলোঁ গো
তোমরা হও হুসিয়ার
নাপ দিয়া যবুনী হমোঁ পার ৷৷
দিসে আইতে যায় বা মল্লিক
না করে আরাম
ওরে কতো দিন বাদে যায়া মল্লিক
দাদাজীর শহর পান ৷৷
ওরে খানিকদূর বাকী থাইকতে
দাদাজীফ পত্র দেন’
শোনেক দাদ জয়নুব বাশা
মুই হওঁ নাত্তা তোরে ৷৷
বাপের নাম মোর জয়কুদ্দি
মল্লিক বাহাদুর নাম হইলো মোরে
কান্চোনমালা মোর বা জনোনী
ফ্যাকিয়া দিনু তোরে ৷৷
দয়া যদিকেল থাকে দাদাজী
তে হইলে নিয়া যাও মহোলে ৷৷
এই পত্রো ফ্যাকিয়া রে মল্লিক
পরীর হাতোত্ দিল ৷৷
দেইক্তে দেক্তে দ্যাকো পরী
পত্রো দিয়া আইলো
ওরে পত্রো পায়া জয়নুব বাশশা
খুশিতে ভরিল ৷৷
হায়রে সৈন্য সেনা নিয়া জয়নুব
ব্যাঁটাক আইনবার গ্যালো
ব্যাঁটা বউ আর নাতী পায়া
নাইচ্পার নাগিল ৷৷
এইদ্যান ভাবে কত্পা দিন
গুজরিয়া গ্যালো
মল্লিক বাহাদুরোক্ আজা করিয়া
তক্তোতে বসাইল ৷৷
সমাপ্ত
This image is blank, containing no visible text. Therefore, there is no text to transcribe.